এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন তালিকা, এশিয়া কাপ কে কতবার জিতেছে?

এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন তালিকা, এশিয়া কাপ কে কতবার জিতেছে?

এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন তালিকা, এশিয়া কাপ কে কতবার জিতেছে?
এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন তালিকা, এশিয়া কাপ কে কতবার জিতেছে?

এশিয়ার পুরুষদের জন্য টি২০ ক্রিকেট টুনার্মেন্ট চালু হয় ১৯৮৩ সালে।এশিয়া মধ্যে দেশ গুলোকে একত্রে করার লক্ষে এশিয়া কাপ ক্রিকেট টূনার্মেন্ট আয়োজন করা হয়। এই প্রতিযোগিতা টি টোয়েন্টি ও ওয়ানডে ফরম্যাটে খেলা হয়ে থাকে। এশিয়া কাপ কবে থেকে শুরু? ১৯৮৪ সালে প্রথম এশিয়া কাপ অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে এশিয়া কাপ দুই বছর পর পর আয়োজন করে থাকে এশিয়া ক্রিকেট কাউন্সিল (ACC)। প্রত্যেক দুই বছর পর পর এশিয়া কাপ ক্রিকেট শুরু হলে ভক্ত-সমর্থকরা জানতে চায় এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন তালিকা, এশিয়া কাপ কে কতবার জিতেছে? সর্বশেষ এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন কোন দল, তাদের এই জানতে চাওয়া থেকে আজকের আর্টিকেল।

এশিয়া কাপ কবে থেকে শুরু হয়?

১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও এশিয়া কাপ ক্রিকেট টুনার্মেন্ট প্রথম বারের মতো অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৪ সালে । এশিয়া কাপের প্রথম আসর আয়োজন করে সংযুক্ত আরব আমিরাত। আমিরাতের শারজাহাতে এশিয়া কাপ ক্রিকেট কাউন্সিলের অফিস ছিল ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত। ১৯৮৩ সালে প্রথম আসর আয়োজন করার কথা থাকলেও ভারত ও পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কারণে তা আয়োজন করা সম্ভব হয়নি।

এশিয়া কাপ ১৯৮৪ প্রথম আসর।

এশিয়া কাপ ১৯৮৪ প্রথম আসর যা অনুষ্ঠিত হয় সংযুক্ত আরব আমিরাতে। শারজায় ৬-১৩ এপ্রিল আয়োজন হয় এই টুনার্মেন্ট। Asia Cup প্রথম আসরে ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কাকে নিয়ে টুনামের্ন্ট শুরু হয়। এই আসরে টুনামের্ন্টের স্পনসর জড়িত কারণে এর পরিচিত লাভ করে রথম্যান্স এশিয়া কাপ নামে।

এশিয়া কাপ ১৯৮৪ চ্যাম্পিয়ন ভারত, রাউন্ড রবিন পদ্ধতিতে শুরু হয় Asia কাপের প্রথম সংস্করণ যেখানে ভারত দুইটি ম্যাচ জিতে এশিয়া কাপের প্রথম চ্যাম্পিয়ন হয় লাস্ট ম্যাচে পাকিস্তানকে ৫৬ রানে হারায়। শ্রীলঙ্কা ২ ম্যাচে ১টায় জয় লাভ করে রানার্সআপ হয় এশিয়া কাপ প্রথম আসরে। এশিয়া কাপ পয়েন্ট টেবিল এর নিচে পড়ে থাকা পাকিস্তান কোন জয় পায়নি।

এশিয়া কাপ ১৯৮৬ দ্বিতীয় আসর।

Asia কাপের দ্বিতীয় আসর আয়োজন করা হয় ১৯৮৬ সালে শ্রীলঙ্কায়। ৩০ মার্চ থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত ৩ দলকে নিয়ে চলে ম্যাচ। যেখানে এশিয়া কাপে প্রথম বার খেলে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। এশিয়া কাপে বাংলাদেশের অভিষেকের আসরে চ্যাম্পিয়ন হয় শ্রীলঙ্কা।

একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় রাউন্ড রবিন পদ্ধতিতে। প্রতিদল একটি করে ম্যাচ খেলে যেখানে বাংলাদেশ হেরে বাদ পড়ে যায়। এশিয়া কাপ ফাইনালে পাকিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে প্রথম বার শিরোপা জিতে শ্রীলঙ্কা ও রানার্সআপ হয় পাকিস্তান। তখন পাকিস্তানের সাথে সম্পর্ক ভালো না থাকায় ভারত অংশ করেনি।

এশিয়া কাপ ১৯৮৮ তৃতীয় সংস্করণ।

১৯৮৮ সালে প্রথম বারের মতো এশিয়া কাপ ক্রিকেট টুনামের্ন্ট আয়োজন করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ( বিসিবি ) তখন এশিয়ার তৃতীয় সংস্করণ হিসেবে প্রথমবার চারটি (৪) দল অংশ নেয় (ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা। ওয়ানডে ফরম্যাট ও রাউন্ড রবিন পদ্ধতিতে খেলা হয় ম্যাচ। এশিয়া কাপ ফাইনালে মুখোমুখি হয় শ্রীলঙ্কা ও ভারত।

শ্রীলঙ্কা আগে ব্যাটিং করতে নেমে ১০ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ১৭৬ রান। এই রান তারা করতে নেমে খুব সহজে ৬ উইকেট জয় পায় ভারত। এশিয়া কাপ ফাইনালে প্রথম বারের মতো কোন ক্রিকেট দল ২ বার ট্রফি জিতেছিল।

এশিয়া কাপ ১৯৯০-৯১ চতুর্থ আসর।

এশিয়া কাপের চতুর্থ আসর আয়োজিত হয় ভারতে ১৯৯০-৯১ সালে। এই টুনামেন্ট শুরুর পর থেকে এটা প্রথম ইন্ডিয়াতে অনুষ্ঠিত করা হয়। ভারতে ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ৪ দলকে নিয়ে চলে খেলা।

এশিয়া কাপের চতুর্থ আসরে ফাইনালে মুখোমুখি হয় ভারত ও শ্রীলঙ্কা। Finala ভারত টসে জয়ী হয়ে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। টসে হেরে শ্রীলঙ্কা আগে ব্যাটিং করতে নেমে ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ২০৪ রান। এই রান তাড়া করে ভারত ৭ উইকেটে চ্যাম্পিয়ন হয়।

এশিয়া কাপ ১৯৯৫ পঞ্চম আসর।

পঞ্চম আসরে এশিয়া কাপ স্পনসর জড়িত কারনে যা হয় পেপসি এশিয়া কাপ ১৯৯৫। দ্বিতীয় বারের মতোই সংযুক্ত আরব আমিরাতে আয়োজিত হয় এশিয়া টুনামের্ন্ট। ৪টা দল মিলে মোট ৭ টা ম্যাচ খেলে শাজদায়। ম্যাচগুলো রাউন্ড রবিন পদ্ধতি ও নকর্আউট পর্বে গড়ায়।

See also  ওয়ানডে ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০২৩ যে সব চ্যানেলে লাইভ দেখা যাবে

যেখানে এশিয়া কাপের পঞ্চম আসরে ফাইনাল খেলে শ্রীলঙ্কা ও ভারত। ফাইনালে টসে হেরে শ্রীলঙ্কা আগে ব্যাটিং করতে নেমে সংগ্রহ করে ২৩০ রান যা তাড়া করতে নেমে ২ উইকেট হারিয়ে সহজসরল ভাবে জয় লাভ করে ভারত। ভারত ৮ উইকেট চ্যাম্পিয়ন হয়। তখন পর্যন্ত ভারত সবচেয়ে বেশি বার ট্রফি জিতেছিল।

এশিয়া কাপ ১৯৯৭ ৬ষ্ঠ আসর।

এশিয়া ক্রিকেট টুনামেন্টর ১৯৯৭ সালে ৬ষ্ঠ আসর শুরু হয়। যেখানে ৪ দল সজহ রাউন্ড রবিন পদ্ধতিতে এবং লকআউট পর্বে খেলা গুলো প্রথম থেকে শেষ করা হয়। শ্রীলঙ্কার মাটিতে ১৬- ২৬ জুন পর্যন্ত ম্যাচ চলে।

৬ষ্ঠ আসরে এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন হয় শ্রীলঙ্কা। ভারত আগে ব্যাট করে ৫০ ওভারে ২৩৯ রান করে এই তাড়া করতে গিয়ে ৮ উইকেট সহজ প্রতিপক্ষ হিসাবে জয় নিশ্চিত করে শ্রীলঙ্কা।

এশিয়া কাপ ২০০০ সপ্তম আসর।

এশিয়া কাপের সপ্তম আসর ২০০০ সালে আয়োজন করা হয় বাংলাদেশে। এই নিয়ে দুইবার বাংলাদেশ আয়োজন করে। রাউন্ড রবিন পদ্ধতি এবং লকআউট পর্বে ৪ দল অংশগ্রহণ করে এশিয়া কাপ ক্রিকেট, টুনামেন্টে।

বাংলাদেশের বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে সবগুলো ম্যাচ হয়। ২০০০ সালে Asia Cup ফাইনালে মুখোমুখি হয় শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান। পাকিস্তান আগে ব্যাটিং করে ২৭৭ রানের পাহাড় গড়ে। এই রান তাড়া করতে নেমে শ্রীলঙ্কা ২৩৮ রানে ১০ উইকেট হারিয়ে বসে। পাকিস্তান ৩৯ রানে জয় লাভ করে। পাকিস্তান প্রথমবার এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন হয় ২০০০ সালে বাংলাদেশের ভ্যেনূতে। এই সংস্করণে ম্যান অব দ্য সিরিজ ঘোষণা করা হয় ইউসুফ ইউহানাকে।

এশিয়া কাপ ২০০৪ অষ্টম আসর।

২ বছর পরপর শুরু হওয়া এশিয়া কাপ ২০০৪ সালে চার বছর পর অনুষ্ঠিত হয়। যা ৮ম আসর ছিল এটা অনুষ্ঠিত হয় শ্রীলঙ্কায়। স্পনসরের কারণে এর নাম রাখা হয় ইন্ডিয়ান ওয়েল এশিয়া কাপ ২০০৪। সবসময় চারটি দলকে নিয়ে শুরু হওয়া এশিয়া কাপ টুনামেন্ট ২০০৪ সালে ছয়টি দলকে নিয়ে শুরু হয়। নতুন দলগুলো হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত ও হংকং।

২০০৪ সালে এশিয়া কাপ ফাইনালে মাঠে নামে ভারত ও শ্রীলঙ্কা। আগে ব্যাটিং করে শ্রীলঙ্কা সংগ্রহ ২২৮ রান। এই রান অতিক্রম করতে নেমে ৫০ ওভারে ভারত সংগ্রহ করে ২০৩ রান। ভারতকে ২৫ রানে হারায় শ্রীলঙ্কা। এশিয়া কাপ ক্রিকেটের ইতিহাসের দ্বিতীয় দল হিসাবে তিন বার এশিয়া কাপ শিরোপা নিয়েছে শ্রীলঙ্কা।

এশিয়া কাপ ২০০৮ নবম আসর।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট শিডিউল ব্যস্তাতার কারণে ২০০৬ সালে খেলার কথা থাকলেও খেলা হয়নি। পরবর্তীতে চার (৪) বছর পর পাকিস্তানে হয় এশিয়া কাপের নবম আসর। এই আসরের নাম হয় স্টার ক্রিকেট এশিয়া কাপ। এর আগের বারের মতো ৬ টি দল অংশগ্রহণ করেন পরে রাউন্ড রবিন পদ্ধতিতে ফাইনালে মুখোমুখি হয় ভারত ও শ্রীলঙ্কা।

স্টার ক্রিকেট এশিয়া কাপ ফাইনালে প্রথম ব্যাটিং করে ২৭৩ রান সংগ্রহ করে ১০ উইকেটের বিনিময়ে এই রান অতিক্রম করতে নেমে ১০০ রান রেখে অলআউট হয়ে যায় ভারত। সহজসরল পথচলার মতোই ১০০ রানের বড় জয় পায় শ্রীলঙ্কা। এশিয়া কাপ কে কতবার নিয়েছে এর দুরে এগিয়ে এখনো ভারত।

এশিয়া কাপ ২০১০ দশম আসর।

এশিয়ার টেস্টভুক্ত চারটি দেশকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় ২০১০ সালের দশম এশিয়া কাপ ক্রিকেট টুনামের্ন্ট। স্পনসরের কারণে টুনামের্ন্টের নাম হয় Micromax Asia Cup 2010। ১০ম আসরে ফাইনালে মুখোমুখি হয় আয়োজক দেশ শ্রীলঙ্কা ও ভারত।

টসে জিতে ব্যাটিং করতে নামে ভারত, ৫০ ওভারে ২৬২ রান জুড়িতে তুলে। তাদের দেওয়া রান অতিক্রম করতে নেমে ১৮৭ রানে অলআউট হয়ে যায় শ্রীলঙ্কা, ৮১ রানে জয় নিশ্চিত করে ভারত। পাকিস্তানের শহীদ আফ্রিদি ৮৮.৩৩ গড়ে ও ১৬৪.৫৯ স্ট্রাইক রেটে সর্বাধিক ২৬৫ রান তুলে ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্টের পুরস্কার পান। সেইসাথে এশিয়া কাপের রেকর্ড পরিমাণ পাঁচ (৫) বার চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন তালিকা।

এশিয়া কাপ ১১তম আসর ২০১২

বাংলাদেশে তৃতীয় বারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে এশিয়া কাপ ট্রফি। বাংলাদেশ, ভারত,পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কাকে নিয়ে ১১তম আসর খেলা শুরু করে এসিসি।

ভারত ক্রিকেট দল ১০তম আসরে এশিয়া কাপ জিতলেও একাদশ সংস্করণে আগেই বাদ পড়ে যায়। বাংলাদেশ নিজ দেশের মাটিতে ভালো পারফরম্যান্স করে। তাইতো প্রথম বার এশিয়া কাপ ফাইনালে উঠে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল প্রতিপক্ষ পাকিস্তান।

বাংলাদেশ শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে এশিয়া কাপ ফাইনালে প্রথম মুখোমুখি বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান। টাইগাররা টসে জিতে আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাকিস্তান ব্যাট করে ৯ উইকেট ২৩৬ রান তুলে নেয় যেখানে পাক খেলোয়াড় সরফরাজ একাই ৪৬ রান করে। এই রান অতিক্রম করতে নেমে সাকিব আল হাসানের ৬২ রান সহ টাইগারদের সংগ্রহ ২৩৪ রান মাত্র ২ রানের জন্য পাকিস্তানের কাছে এশিয়া কাপে পরাজয় স্বীকার করে বাংলাদেশ।

See also  ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০২৩ বাংলাদেশের খেলার সময়সূচি

এশিয়া কাপ ১২ তম আসর ২০১৪

২০১৪ সালেও এশিয়া কাপ সময়সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশে ৪র্থ বারের মতো অনুষ্ঠিত হয় টুনামেন্ট। টেস্টভুক্ত চারটি দলের পাশাপাশি আইসিসির সদস্য দে-শ আফগানিস্তান ও প্রথমবারের মতো খেলে এশিয়া কাপ ক্রিকেট। স্পনসরের জন্য এর নাম হয় অ্যারাইজ এশিয়া কাপ।

Asia Cup Final Report অনুযায়ী পাকিস্তান শ্রীলঙ্কার সংঘর্ষ। পাকিস্তান টসে জয়ী হয়ে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। ৫ উইকেটে ২৬০ রান নেয় এই রান অতিক্রম করতে ৫ উইকেটে হারিয়ে সহজে করে নেয় লঙ্কান। শ্রীলঙ্কা ৫ উইকেটে বিজয়ী।

এশিয়া কাপ ১৩ তম আসর ২০১৬

২০১৬ সালে পঞ্চম বার এশিয়া কাপ আয়োজন হয় বাংলাদেশে। যার নাম রাখা হয় মাইক্রমেক্স asia cup. এশিয়া কাপ প্রথম বার টি ২০ ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হয় ২০১৬ সালে বাংলাদেশে। আফগানিস্তান, ওমান, হংকং বাছাইপর্ব খেলেও মূল পর্বে জায়গা হয় সংযুক্ত আরব আমিরাতের।

এশিয়া কাপ ফাইনালে বাংলাদেশ ভারতের বিপক্ষে আট উইকেটে পরাজিত হয়। ভারত টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত,২০১৬ সালে কাল বৈশাখীর কারণে ১৫ ওভারের খেলা নিধারিত করা হয়। বাংলাদেশ ১৫ ওভার ব্যাটিং করে ১২০ রান করে জবাবে ১৩ ওভার ৫ বলে ভারত ১২২ রান করে পেলে। বাংলাদেশের সাথে ৮ উইকেটে জয় পায় ভারত। তা নিয়ে ৬ষ্ঠ বারের মতো এশিয়া কাপ নিয়েছে দলটি।

এশিয়া কাপ ১৪ তম আসর ২০১৮

২০১৮ সালে এশিয়া কাপের ১৪ তম আসর বসে সংযুক্ত আরব আমিরাতে এ নিয়ে তৃতীয় বার আয়োজন করে দেশটি। ১৪ তম আসরে ৬টি দল অংশগ্রহণ করে রাউন্ড রবিন পদ্ধতি এবং লকআউট পর্ব অনুযায়ী একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে দলগুলো।

আমিরাতে ফাইনালে মুখোমুখি বাংলাদেশ ও ভারত, তৃতীয় বারের মতো এশিয়া কাপ ফাইনালে উঠে বাংলাদেশ। ভারত টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় আগে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। যেখানে প্রথমবার ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেলে লিটন দাস করে সেঞ্চুরি। তা নিয়ে ২২২ রান করে ১০ উইকেটের বিনিময়ে। এই ম্যাচ ভারত জিততে কিছুটা কষ্ট হয় তারা শেষ বল পর্যন্তা ব্যাটিং করে ৩ উইকেট জয় নিশ্চিত করে। ২২৩ রান ৫০ ওভারে। আর এশিয়া কাপে সবচেয়ে বেশি বার কাপ নিয়েছে ভারত সাত (৭) বার।

এশিয়া কাপ ২০২২ (১৫ তম আসর)

২০২০ সালে এশিয়া কাপ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি কোভিড নাইন্টিনের কারনে। পরবর্তীতে ২০২১ সালে শ্রীলঙ্কায় হওয়ার কথা থাকলেও তা আর হয়নি। ২০২২ সালে এশিয়া কাপ কোথায় হবে। এই নিয়ে জল্পনা কল্পনা শেষে জানা যায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের কথা ৪র্থ বারের মতো, এশিয়া কাপ ২০২২ । আয়োজন করবে এশিয়ার দেশটি। ২০২৩ সালে এশিয়া কাপ ক্রিকেট কোথায় অনুষ্ঠিত হবে তা ও নির্ধারন করে দেওয়া হয় পাকিস্তানে।

এশিয়া কাপ ২০২২ দল হিসাবে খেলে ৬ টি দল ফাইনালে মুখোমুখি হয় পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। পাকিস্তান টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়, প্রথম ব্যাটে নামে শ্রীলঙ্কা ২০ ওভারের বিনিময়ে ১৭০ রান সংগ্রহ করে দলটি। এই রান অতিক্রম করতে নেমে ২০ ওভারে ১৪৭ রান সংগ্রহ করে দলটি। সবশেষে এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কা ২৩ রানে পাকিস্তানকে হারিয়ে।

এশিয়া কাপ ২০২৩ (১৬ তম আসর)

২০২৩ সালে এশিয়া কাপ কবে হবে তা আগেই নিধার্রন করা হয়ে পাকিস্তানে। এশিয়া কাপ ২০২৩ সময়সূচি অনুযায়ী সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে শুরু হবে এশিয়া কাপ 2023 (১৬ তম আসর) এবার ৬টি দল অংশগ্রহণ করবে, সামনে ওয়ানডে বিশ্বকাপ ২০২৩ এর জন্য ওয়ানডে ফরম্যাটে খেলা হবে টুনামেন্ট।

এশিয়া কাপ ২০২৩ শেষ হওয়া মাত্র এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন তালিকা, এশিয়া কাপ কে কতবার জিতেছে? তা আপডেট করা হবে।

এশিয়া কাপ কে কতবার নিয়েছে?

এশিয়া কাপ কে কতবার নিয়েছে? তা সকলকে সহজে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য চ্যাম্পিয়ন তালিকা টেবিল আকারে দেওয়া হলো। এখানে আসর মানে সাল, সাল অনুযায়ী এশিয়া কাপের আসর নিনয় করতে হবে।

আসর চ্যাম্পিয়ন রানার্সআপ আয়োজক দেশ
১৯৮৪ ভারত শ্রীলঙ্কা সংযুক্ত আরব আমিরাত
১৯৮৬ শ্রীলঙ্কা পাকিস্তান শ্রীলঙ্কা
১৯৮৮ ভারত শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশ
১৯৯১ ভারত শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশ
১৯৯৫ ভারত শ্রীলঙ্কা সংযুক্ত আরব আমিরাত
১৯৯৭ শ্রীলঙ্কা ভারত শ্রীলঙ্কা
২০০০ পাকিস্তান শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশ
২০০৪ শ্রীলঙ্কা ভারত শ্রীলঙ্কা
২০০৮ শ্রীলঙ্কা ভারত পাকিস্তান
২০১০ ভারত শ্রীলঙ্কা শ্রীলঙ্কা
২০১২ পাকিস্তান  বাংলাদেশ বাংলাদেশ
২০১৪ শ্রীলঙ্কা পাকিস্তান বাংলাদেশ
২০১৬ ভারত বাংলাদেশ বাংলাদেশ
২০১৮ ভারত বাংলাদেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত
২০২২ শ্রীলঙ্কা পাকিস্তান সংযুক্ত আরব আমিরাত

এশিয়া কাপ ক্রিকেট নিয়ে কিছু  প্রশ্নের উত্তর নিচে দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ প্রথম কবে এশিয়া কাপ খেলে?

উত্তর: বাংলাদেশ ১৯৮৬ সালে প্রথম এশিয়া কাপ খেলে।

সর্বশেষ এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন কোন দেশ

উত্তর: শ্রীলঙ্কা ২০২২ সালে।

বাংলাদেশ কত সালে এশিয়া কাপ পায়

উত্তর: বাংলাদেশ একবার এশিয়া কাপ পায়নি।

বাংলাদেশ এশিয়া কাপে কতবার ফাইনাল খেলছে
উত্তর: তিন বার (২০১২, ২০১৬ ও ২০১৮)

সবচেয়ে বেশি এশিয়া কাপ জিতেছে কোন দেশ
উত্তর: ভারত (৭ বার চ্যাম্পিয়ন)

পাকিস্তান কতবার এশিয়া কাপ জিতেছে
উত্তর: (২ বার চ্যাম্পিয়ন)

এশিয়া কাপ কত বছর পরপর হয়?
উত্তর: দুই বছর পরপর শুরু হয় এশিয়া কাপ।

প্রথম এশিয়া কাপ কত সালে শুরু হয় ?
উত্তর: (১৯৮৪ সালে আরব আমিরাতে)

এশিয়া কাপ ২০২৩ কততম আসর

উত্তর: ১৬ তম আসর

Sarker Tahsin

Hello friends, my name is Imon Miah, I am the Writer and Founder of this blog Infolinebd and share all the information related to Blogging, SEO, Internet, Sports news, Review, Make Money Online, News and Technology through this website. Know for infolinebd about

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You cannot copy content of this page