সিজারিয়ান ডেলিভারি পর বিভিন্ন জটিলতা ও সমাধান

সিজারিয়ান ডেলিভারি পর বিভিন্ন জটিলতা ও সমাধান

সিজারিয়ান ডেলিভারি পর বিভিন্ন জটিলতা ও সমাধান
সিজারিয়ান ডেলিভারি পর বিভিন্ন জটিলতা ও সমাধান

আমাদের দেশে বর্তমান দিন দিন সিজারিয়ান ডেলিভারির সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই সিজারিয়ান ডেলিভারি বা সি সেকশন নিয়ে মানুষের মনে কৌতুহলের শেষ নেই। কারন সি সেকশনের মাধ্যমে সন্তান জন্ম দেওয়ার পর একজন মা ও নবজাতক সন্তান কে সুস্থ সবল রাখতে মানতে হয় কিছু বিধিনিষেধ। যা অনেকেই সঠিক ভাবে পালন করতে পারে না বিধায় পরতে হয় নানান বিরাম্বনায়।

সিজারিয়ান ডেলিভারি পর মা ও সন্তানের যন্ত খাবারদাবার এবং সিজারিয়ান ডেলিভারি পর বিভিন্ন জটিলতা ও তার সমাধান সম্পর্কে আজকের এই আর্টিকেলে আলোচনা করব। তাই সিজার পরবর্তী বিভিন্ন প্রশ্নের সমস্যার সমাধান পেতে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন।

সিজার কি

সিজারিয়ান সেকশন, যা সি-সেকশন বা সিজার নামেও পরিচিত। একজন গর্বভতী মহিলাকে সিজারের মাধ্যমে তার সন্তান প্রসব করাকে সিজারিয়ান ডেলিভারি বা সিজার বলা হয়। সিজার মূলত একটি শল্যচিকিৎসা যে সকল মায়েরা প্রকৃতিক নিয়মে সন্তান প্রসব করতে পারে না তাদেরকে সিজারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব করানো হয়।

সিজার অপারেশন করতে কত সময় লাগে

সিজার অপারেশন করতে কত সময় লাগবে তা সম্পূর্ণ নির্ভর করে ডাক্তারের উপর। তবে সিজারিয়ান অপারেশন অল্প সময়ে শেষ করতে হয়। তাই ডাক্তারা এই অপারেশনের জন্য সর্বোচ্চ ৩০ মিনিট পর্যন্ত সময় নিয়ে থাকে। তবে যত দ্রুত সম্ভব সিজারিয়ান ডেলিভারি অপারেশন কম্পিলিট করেন ডাক্তারা।

সিজারের কত দিন পর সেলাই শুকায়

সাধারণ সিজারের পর ১-৬ সাপ্তাহ সময় লাগে সিজারিয়ান ডেলিভারি অপারেশনের সেলাই শুকাতে। তবে অনেকের আরো দ্রুত সেলাই শুকিয়ে যায়। আমাদের দেশের ডাক্তারা ৬ সপ্তাহ পর্যন্ত সেলাই শুকানোর সময় দিয়ে থাকে। সেলাইয়ে যদি পানি না লাগে তাহলে কম সময়ে সেলাই শুকিয়ে যায়।

সিজারের কত দিন পর ভারী কাজ করা যায়

যেহুত সিজার একটি গুরুত্বপূর্ণ অপারেশন এবং এই অপারেশন টি পেট কেটে করা হয় তাই সিজারের পর ভারী কাজ কারর ক্ষেত্রে অধিক সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। সাধারণত সিজারের পর প্রথম তিন মাস ভারী কাজ না করাই ভাল।

সিজারের পর ব্যাথা কত দিন থাকে

সিজারের সময় পিঠের মেরুদণ্ডে এনাশথ্যেসিয়া দেওয়া হয় যার প্রভাবে ৭-১০ দিন পর্যন্ত ঘারে, পিঠে ও মাথায় ব্যাথা হতে পারে। তবে মাথা ও পিঠের ব্যাথা সেরে গেলেও ঘারের ব্যাথা ১ মাস পর্যন্ত স্থায়ী হয়ে থাকে। আর সেলাইয়ের ব্যাথ্যা ১ সাপ্তাহের মধ্যে কমে আসে।

সিজারের পর বেল্ট পরার নিয়ম

সিজারের পর মায়েদের বেল্ট পরাতে হয়। সিজারের ২৪ ঘন্টা পর মায়েদের বেল্ট পরানো যায়। এই বেল্টকে বেলি বেল্ট বলা হয়। সিজারের পর মায়েদের পেটে বেল্ট পড়িয়ে আস্তে আস্তে হাটা চলা করাতে হয়। যার ফলে শরীলে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়। আর এই বেল্ট মা এর পেটে অতিরিক্ত শক্তি জোগায়। সিজারের পর বেল্ট শেলায়ের উপর পরতে হয়।

সিজারের কত দিন পর র্জানি করা যায়

সিজার একটি গুরুত্বপূর্ণ অপারেশন বিধায় সিজারের পর মায়েদের সাবধানে কাজ করতে হয়। কারণ কোন ধরনের অসাবধানতা প্রদক্ষেপের কারণে যে কোন সময় বিপদ ঘটতে পারে। তাই সিজারের পর র্জানি করার ক্ষেত্রে সর্তক তাকতে হবে। তবে সিজারের ৬ সাপ্তহ পর র্জানি করা যায় (লং র্জানির ক্ষেত্রে)

See also  গাজীপুর সরকারি হাসপাতালের তালিকা

সিজারের পর খাবার তালিকা

সিজারের অপারেশনের সময় মায়ের শরীল থেকে অনেক রক্তক্ষরণ হয় যার ফলে সিজার পরবর্তী মায়েদের দরকার হয় সুষম খাবারের। মা কে যে খাবার দেওয়া হবে তাতে শর্করার পরিমান বেশি থাকা ভাল। ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খেতে হবে যার ফলে দ্রুত সেলাই শুকাতে সাহায্য করবে। রঙ্গিন শাকসবজি ফলমূল সিজারিয়ান ডেলিভারি পর মা কে খেতে দিতে হবে। সেইসাথে প্রচুর ক্যালোরিযুক্ত খাবার খাওয়াতে হবে।

সিজারের পর ব্যাথা হলে করণীয়

সিজারের পর যদি রোগীর ঘাড়ে ও পিঠে ব্যাথা হয় তাহলে এটি এমনিতেই সেরে যাবে। সাধারণত সিজারের ১-৭ দিন পর্যন্ত রোগীর এই ধরনের সমস্যা হতে পারে। তবে সিজারের পর যদি রোগীর কাটা জায়গায় ব্যাথ্যা অনূভুত হয় তাহলে রোগীকে অতিসত্বর ডাক্তার দেখাতে হবে অথবা ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে পরবর্তী প্রদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে।

সিজারের পর কতদিন ব্লিডিং হয়

সিজারের পর প্রথম ২ দিন একটু বেশি ব্লিডিং হলেও পরবর্তী তে আস্তে আস্তে বিল্ডিংয়ের পরিমাণ কমে আসবে। তাবে কারো ক্ষেত্রে যদি লং টাইম ধরে ব্লিডিং হয় এবং তা কমার কোন লক্ষ্মণ না থাকে সেইসাথে তলপেটে ব্যাথা অনুভূত হয় তাহলে অতিসত্বর ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

সিজারের পর পেট কমানোর উপায়

সিজারের পর একজন মা কে নতুন করে পথচলা শুরু করতে হয়। সিজারের পর বচ্চাকে ফিডিং করাতে হয় যার কারণে খাওয়ার দাওয়া উল্টাপাল্টা হওয়ার করনে মায়ের পেট বেড়ে যায়। তবে সিজারের পর মায়েদের খাবারের ব্যাপারে একটু সর্তক হতে হবে। চিনি জাতীয় বা ফ্যাট জাতীয় খাবার পরিহার করতে হবে। তার সাথে রুটিন মাফিক খাবার খেতে হবে। প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট টাইম হাঁটাচলা করতে হবে। গরম পানি খেতে হবে। তাহলেই একজন মায়ের পেট কমানো সম্ভব।

সিজারের পর সহবাসের নিয়ম

সিজারের পর সহবাস করতে হলে কমপক্ষে ৪২ দিন অপেক্ষা করতে হবে। কারণ এই সময়ের মধ্যে সেলাই শুকনো সহ মহিলাদের শরীল সহবাসের জন্য প্রস্তুত হয়। তাই সহবাস করার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় অপেক্ষা করুন।

সিজারের পর ইনফেকশন হলে করনীয়

সিজারের পর যদি কেন কারণে ইনফেকশন হয়ে যায় তাহলে দেরি না করে যতদ্রুত সম্ভব নিকটস্থ হাসপাতালে রোগিকে নিয়ে যেতে হবে। তাছাড়া ইনফেকশন হওয়ার লক্ষণ দেখা দিলে আপনার নিকটস্থ গাইনী বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন। কারণ সিজারের পর একজন মায়ের যদি ইনফেকশন হয় তাহলে এটা তার জন্য ঝুকিপূর্ণ।

সিজারের কতদিন পর গোসল করা যায়

সাধারণত সিজারের ৪-৫ দিন পর গোসল করা যায়। তবে গোসল করার সময় লক্ষ রাখতে হবে যেন কাটা জায়গা না ভিজে যায়। তাই সিজারের পর গোসল করার আগে ভাল করে পলিথিন দিয়ে কাটা জায়গা বেধে তারপর গোসল করতে হবে। সেলাই একদম পুরোপুরি না শুকানো পর্যন্ত এভাবে গোসল করতে হবে।

সিজারে বাচ্চা হওয়ার কতনদিন পর মাসিক হয়

সিজারের বাচ্চা হওয়ার উপর মাসিক অনেকটা নির্ভর করে। বেশ কিছু ক্ষেত্রে সিজারে বাচ্চা হলে অনিয়মিত মাসিক হয়। অনেক ক্ষেত্রে বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ালে মাসিক অনেক দেরিতে হয়। এই ক্ষেত্রে মাসিক বাচ্চা হওয়ার ৩, ৪,৬,১০ মাস এমনকি ১.৫ বছর, ২ বছরও লেগে যায় কিছু ক্ষেত্রে।

সিজারের সেলাই কত দিনপর কাটতে হয়

আগে সিজারের সেলাই কাটতে হতো কিন্তু বর্তমানে সিজারিয়ান ডেলিভারি ক্ষেত্রে যে সেলাই ব্যবহার করা হয় তা চামড়ার সাথে মিশে যায়। যার জন্য বর্তমানে সিজারের সেলাই কাটার প্রয়োজন হয় না।

সিজার অপারেশন খরচ

সিজার অপারেশন খরচ একেক জায়গায় একেক রকম। আবার হাসপাতাল বেদে সিজারিয়ান অপারেশনের খরচ বিভিন্ন হয়ে থাকে। তবে উপজেলা ও জেলা সদরে বেসরকারি ভাবে হাসপাতাল বেদে সিজার অপারেশনের খরচ ১০-১৫ হাজার টাকা নিয়ে থাকে। তবে ঢাকার চিত্র আলাদা ঢাকাতে ভাল মানের হাসপাতালে সিজারের অপারেশন করাতে গেলে ১.৫ থেকে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়।

সিজার করতে কত টাকা খরচ হয়

সিজার অপারেশনের টাকা স্থান কাল পাত্র বেদে নির্ধারন হয়। বেশিরভাগ সময় সিজার করাতে ১০-১৫ হাজার টাকার বেশি লাগে না। আবার সরকারি হাসপাতালে ৪-৫ হাজার টাকায় সিজারিয়ান ডেলিভারি অপারেশন করা যায়।

See also  পদ্মা ক্লিনিক চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকা

সিজারের পর গোসল করার নিয়ম

সিজারের পর ৩-৪ দিন পর গোসল করা যায়। তবে গোসল করার আগে কাটা জায়গা ভাল করে পলিথিন দিয়ে বেধে নিতে হবে যাতে করে গোসলের সময় পানি প্রবেশ করতে না পারে। আবার গোসলের সময় কাটা জায়গা যাতে না ভিজে যায় সেই দিকে খেয়াল রাখতে হবে।

সিজারের পর পেটে ব্যাথা কতদিন থাকে

সিজারের পর পেটে ব্যাথা ১-৩ দিনের মধ্যে কমে যায় তবে ২ সাপ্তাহের মধ্যে সম্পূর্ণভাবে পেটে ব্যাথা কমে যায়। মূলত সিজার একটি বড় মাপের অপারেশন হওয়ায় এর প্রভাব অনেক দিন থাকে।

সিজারের পর কি কি ফল খাওয়া যাবে

সিজারের পর সব ধরনের ফল খাওয়া যাবে। সিজারের পর ফল খাওয়ার ক্ষেত্রে ভিটামিন সি যুক্ত ফল বেশি খেতে হবে কারণ ভিটামিন সি সিজারের কাটা শুকাতে সাহায্য করে। তাই বেশি বেশি কমলা মাল্টা এই জাতীয় ফল খেতে হবে।

সিজারের কতদিন পর মিলন করা যায়

সিজার অপারেশন করার পর একজন নারীকে মিলন করার মতে উপযোগী হতে বেশ কিছু দিন সময় প্রয়োজন হয়। তাই কমপক্ষে সিজারের পর মিলন করার জন্য কমপক্ষে ৪২ অপেক্ষা করা লাগবে। তবে ৩ মাস পর্যন্ত সময় নেয়া সবচেয়ে উত্তম।

সিজারের পর ইনফেকশনের লক্ষণ কি

সিজারের পর ইনফেকশন হলে যে সকল লক্ষণ দেখা যায়, পেটে ব্যাথা হওয়া, কাটা জায়গার চারপাশে লাল হয়ে যাওয়া, কাটা জায়গা থেকে পুজ পরা, জমাট বাধা রক্ত, মাসিকের জায়গায় গন্ধ যুক্ত পুজ আসা, প্রসাব করতে বেগ পেতে হয়, পা ফুলে যাওয়া এগুলো হলো সিজারিয়ান ডেলিভারি পর ইনফেকশন হলে তার লক্ষণ।

সিজারের পর মাথা ব্যাথা হলে করনীয়

সিজারের পর মাথা ব্যাথা কমন একটি সমস্যা মূলত সিজারের সময় পিঠের মধ্যে এ্যানেশথেসিয়া দেওয়ার কারনে সিজারের ১-৭ দিনের মধ্যে মাথা ব্যাথা হতে পারে। তাই মাথা ব্যাথা হলে ঘাবড়ানো কিছু নেই। এ্যানেশথেসিয়ার প্রভাব কমে গেলে মাথা ব্যাথা এমনিতেই ভাল হয়ে যাবে।

সিজারের কয়টা বাচ্চা নেওয়া যায়

সিজারের মাধ্যমে কয়টা বাচ্চা নেওয়া যায় তা নিয়ে অনেক বির্তক আছে। অধিকাংশ গাইনী বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের মতে সিজারের মাধ্যে সর্বোচ্চ ২ টি বাচ্চা নেওয়ার পরামর্শ দেন। এছাড়াও অনেক ক্ষেত্রে তিন টা পর্যন্ত বাচ্চা নেওয়ার খবর পাওয়া যায়। অবশ্য সিজারের মাধ্যমে ২ টার অধিক বাচ্চা নেওয়া খুব রেয়ার ব্যাপার।

সিজারের পর লেবু খাওয়া যায়

হ্যা সিজারের পর লেবু খাওয়া যায়। সিজারিয়ান ডেলিভারিতে যেহুত কাটা চেরা করা লাগে তাই ডাক্তারা রোগিকে লেবু খাওয়ার পরামর্শ দেন। কারন লেবুতে রয়েছে ভিটামিন সি তাই লেবু কাটা ঘা শুকাতে বেশ কার্যকর।

সরকারি হাসপাতালে সিজারের খরচ

বাংলাদেশের সকল সরকারি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, জেলা সদর হাসপাতাল এবং সকল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সিজার করা হয়। সরকারি হাসপাতালে সিজার করাতে বেশি খরচ হয় না। সরকার হাসপাতালে সিজারিয়ান ডেলিভারি খরচ ৫-৬ হাজার টাকা লাগে। অনেক সময় রোগি বুঝে তা ৪-৫ হাজারের মধ্যেও হয়।

সিজারের কত দিন পর বাচ্চা নেওয়া যায়

গাইনী বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের মতে বাচ্চা সিজার হউক আর নরমাল ডেলিভারি হউক। একটা বাচ্চা ডেলিভারি থেকে আরেকটা বাচ্চা নিতে কমপক্ষে ২ বছর বিরতি থাকতে হবে। কারণ এই সময়ের মধ্যে একজন মায়ের শরীল আবার পুনরায় সুস্থ সবল শিশু জন্ম ধানে প্রস্তুত হয়। তাছাড়া একটা ছোট শিশু ২ বছর সময় পেলে মায়ের আদর যন্ত ঠিক মতো পাই তাই ২য় বাচ্চা নিতে ২ বছর অপেক্ষা করার কথা বলা হয়।

সিজারের পর কি কি খাওয়া যাবে না

সিজারের পর মোটামুটি সব খাবার খাওয়া যায়। তবে কিছু খাবার আছে যে গুলো এভয়েড করা সবচেয়ে ভাল। কারণ এই সকল খাবারের কারনে খাবার হজম ঠিক মতো হয় না এবং পেট ফেপে থাকে তাই এই সমস্ত খাবার গুলো ডাক্তাররা সিজারের পর স্কিপ করতে বলেন,

কোমল পানীয়
চা কফি জাতীয় খাবার
ভাজা পোড়া
অ্যালকোহল

সিজারের পর পেটের দাগ কমানোর উপায়

সিজারের পর কাটা দাগ এমনি এমনি কমে যায়। তবে সম্পূর্ণ কাটা দাগ একবারে যায় না। এই কাটা দাগ নিয়ে আমরা অনেক টেনশনে ভোগ করি। কাটা দাগ রিমুভের জন্য নানান ক্রিম বাজারে পাওয়া যায়। এই সমস্ত ক্রিমের সাহায্যে কাটা দাগ রিমোভ হয় কিনা তা নিয়ে ডাক্তারি কোন মতামত পাওয়া যায় না। অনেক ক্রিমে উচ্চ মাত্রার রাসায়নিকের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। যার ফলে উপকারের চেয়ে অপকার বেশি হয় তার জন্য ডাক্তাররা এসকল ক্রিম ব্যবহারে নিরুৎসাহিত করেন।

সিজারের কতদিন পর গরুর দুধ খাওয়া যায়

সিজারের পর গরুর দুধ খাওয়া যাবে কি না এই নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন করেন। অনেকে মনে করেন সিজারের পর গরুর দুধ খাওয়া যাবে না। গরুর দুধ খেলে সিজারের কাটা দ্রুত শুকাবে না। এই টি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা।

গাইনী বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের মতে সিজারের পর অনান্য স্বাভাবিক খাবারের সাথে গরুর দুধ খাওয়া যাবে। তবে গরুর দুধ খাওয়ার আগে তা ফুটিয়ে পান করতে হবে। ফুটানো ছারা গরুর দুধ খাওয়ানো যাবে না।

সিজারের কতদিন পর মিষ্টি খাওয়া যায়

সিজারের পর মিষ্টি খাওয়া নিয়ে তেমন কোন বিধিনিষেধ নেই। সিজারের পর অনান্য খাবারের মতো মিষ্টি খাওয়া যায়। তবে মিষ্টি না খেয়ে এই সময় অনান্য ফল খাওয়া ভাল। কারণ মিষ্টি এমনিতেই শরীলের অনেক ক্ষতি করে। মিষ্টিতে থাকা চিনি শরীলের ফ্যাট বাড়াতে সহায্য করে তাই এই সময় মিষ্টি এভয়েড করা ভাল।

 

Sarker Tahsin

Hello friends, my name is Imon Miah, I am the Writer and Founder of this blog Infolinebd and share all the information related to Blogging, SEO, Internet, Sports news, Review, Make Money Online, News and Technology through this website. Know for infolinebd about

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You cannot copy content of this page